রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন কলাপাড়ায় স্কুলে হঠাৎ ২৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলাপাড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি; সন্তুষ্ট গ্রাহক রেডিয়েন্ট ইসলামিক মডেল স্কুলে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নি’হ’ত নৌসদস্যের সামরিক মর্যাদায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নৌবাহিনী শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ মহিপুরে ১৭৫ পিস ই’য়া’বাসহ দুই মা দ ক ব্যবসায়ী গ্রে’প্তা’র পাখিমারায় রিও’র উদ্যোগে ‘উপকূল পাঠাগার’ কমিটি গঠন আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দ’খ’ল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মা ন ব ব ন্ধ ন
প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় স্বপ্ন বুনছে আলো রানী

প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় স্বপ্ন বুনছে আলো রানী

সঞ্জিব দাস, গলাচিপা।। গলাচিপায় প্রধানমন্ত্রীর ঘরের আশায় অসহায় পরিবারটি স্বপ্ন বুনছে। উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের মধ্য হরিদেবপুর গ্রামের আলো রানী (৫৫) এর পরিবার অসহায় জীবনযাপন করছে। অন্যের বাড়িতে আশ্রিত থেকে চলছে তাদের বসবাস।

জানা যায়, গোলখালী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বৈষ্ণব দাসের স্ত্রী আলো রানী। তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচজন। সন্তানদেরকে নিয়েই তারা ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু আলো রানীর স্বামী বৈষ্ণব দাসের একমাত্র আয়ে সংসার চলছে খুব কষ্ট করে। তাদের সন্তানদের লেখাপড়া করানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বৈষ্ণব দাস অন্যের বাড়ীতে দিনমজুর কাজ করে।

এ বিষয়ে বৈষ্ণব দাস জানান, আমার জন্মের পরেই দারিদ্রতা আমাদের নিত্য সঙ্গী। আশা ছিলো ছেলেটা আমার সাথে সংসারের হাল ধরবে। কিন্তু ছেলেটা বিবাহ করে আলাদা থাকে আমাদের খোজখবর নেয় না। এখন আমি একা অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি অসুস্থ থাকলে ঘরের উনুন জলে না। সে দিন না খেয়ে থাকতে হয়। আমার দুই শতাংশ জায়গা থাকলেও টাকার অভাবে তাতে ঘর তোলা হয় নি। তাই বাধ্য হয়ে অন্যের ঘরে আশ্রিত হিসেবে থাকি। কিন্তু নিজের ঘর না থাকলে তো পরাধীন ব্যক্তির মতো মনে হয় নিজেকে। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার একটি ঘর পেলে বাকি জীবনটা সুখে কাটাতে পারতাম। অন্য মানুষের বাড়িতে আর কতদিন থাকবো।

বৈষ্ণব দাসের স্ত্রী আলো রানী জানান, আমার স্বামীর রোজগারে আমাদের সংসার চলে। থাকি অন্য মানুষের বাসায়, খুব কষ্টে। অন্য মানুষের বাড়িতে থাকি বলে প্রায় সময়ই তাদের কথা শুনতে হয়। আমারকে যদি সরকারীভাবে একটি ঘর দিত তাহলে আমরা সরকারের কাছে চির ঋণী থাকতাম।

গোলখালীর হরিদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিক বিল্পব রায় বলেন, বৈষ্ণব দাসের পরিবার অনেক কষ্ট করেন। তাদের পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

সরকারীভাবে তাদেরকে একটি ঘর দিলে পরিবারটির অনেক উপকার হবে। গোলখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি খালেক মাস্টার বলেন, আলো রানীর দুই শতক জমি থাকলেও নিজের কোনো ঘর নেই। সরকারীভাবে একটি ঘর তারা প্রাপ্য।

ইউপি সদস্য রবিউল মৃধা বলেন, আমার ওয়ার্ডে ওদের মত অসহায় খুব কম লোকই আছে। বাপ-দাদার দুই শতক জমি আছে। টাকা না থাকায় সেখানে কোনো ঘর তুলতে পারে নাই। তাদের একটি ঘর খুব প্রয়োজন।

গোলখালী ইউপি চেয়ারম্যান নাসিরউদ্দিন হাওলাদার বলেন, আলো রানীর পরিবার আসলেই অসহায়। তার স্বামী অন্য মানুষের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। সরকারীভাবে আলো রানীর পরিবার একটি ঘর পেলে তারা সুন্দরভাবে জীবন যাপন করতে পারবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!